সরকার ৭ শতাংশের ওপরে হিসেবে দিলেও আগামী অর্থবছরে ৬.৮% প্রবৃদ্ধির পুর্বাভাস দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। রোববার সকালে রাজধানীতে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক বলেছে, আগের তুলনায় রেমিট্যান্স এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার কারণে এবার আগের চেয়ে জিডিপির প্রবৃদ্ধি কমবে।
সরকারি বিনিয়োগে দক্ষতা বাড়ানো, নারীর কর্মসংস্থান এবং উৎপাদশীলতা বাড়াতে পারলে আগামী ১০-১৫ বছরে প্রবৃদ্ধি আরো ৩ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব বলেও হিসাব দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
দেশের সবশেষ অর্থনীতির গতি প্রকৃতি নিয়ে, রোববার বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট নামে, একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি চিমিয়াও ফান।
পরে মুল প্রতিবেদন প্রকাশ করেন ঢাকা কার্যালয়ের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন। এতে বলা হয়, এ বছর প্রথম ১০ মাসে রেমিট্যান্স কমেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। রপ্তানির প্রবৃদ্ধি কমে ৪ শতাংশের নিচে নেমেছে। তাই প্রবৃদ্ধিও আগের বছরের তুলনায় কমবে।
দেশের আর্থিক খাতের সুশাসন ফিরিয়ে আনা, এবং আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তাকে দেশের অর্থনীতির জন্য ঝুকি হিসেবে দেখছে বিশ্বব্যাংক। এরপাশাপাশি, খাদ্য পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় মুল্যস্ফীতি বাড়ার আশংকাও ব্যক্ত করা হয়েছে।
তবে কিছু যায়গায় উন্নতি করতে পারলে,দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি আরো ৩ শতাংশ বাড়াতে পারে বলেও উল্লেখ করেন ড. জাহিদ হোসেন।
সব মিলিয়ে দেশের দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তি থাকলেও, তুষ্টি নেই বলে মনে করে বিশ্ব ব্যাংক।