চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের দ্বন্দ্বে চরম অস্থিরতা ইসলামি ব্যাংকে। এর মধ্যেই মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে, বার্ষিক সাধারণ সভা এবং পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের দ্বন্দ্বে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না বলে, আগেই জানিয়ে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপেরও সুযোগও নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আধিপত্য বিস্তার এবং দুটি ব্যবসায়ী গ্রুপের দলাদলিকে এ দ্বন্দ্বের পেছনে কারণ বলে মনে করছেন তারা। তবে মঙ্গলবারের সাধারণ সভায় অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে বলে আশা তাদের।
১৯ জন পরিচালকের মধ্যে, সহ-সভাপতি সৈয়দ আহসানুল আলমসহ ৭ জন পরিচালকের এক গ্রুপ, অপর গ্রুপে চেয়ারম্যান আরাস্তু খানসহ অন্যান্য পরিচালকেরা। দুই গ্রুপই ক্ষমতার লড়াইয়ে লিপ্ত দুটি আলাদা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের হয়ে। যা আইন বিরুদ্ধ না হলেও, অনৈতিক বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
এমন পরিস্থিতিতেও কোন হস্তক্ষেপ না করার নীতিতে সরকার।
বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে। এরই মধ্যে এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি চিঠিও দিয়েছে ইসলামি ব্যাংক। তবে এখন পর্যন্ত তারাও কোন হস্তক্ষেপ করেনি।
এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু করার নেই বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তবে, শেষ পর্যন্ত চেয়ারম্যান না ভাইস চেয়ারম্যান কার আধিপত্য বহাল থাকবে তার উত্তর পাওয়া যাবে, মঙ্গলবার পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে।
ইসলামি ব্যাংকের এই অবস্থা ব্যাংকটির ভবিষ্যতের জন্য অশুভ ফলাফল বয়ে আনতে পারে বলে আশংকা তাদের।