রমজানকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বাজারে মাত্র এক সপ্তাহে চিনির বস্তাপ্রতি দাম বেড়েছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। অস্থির বাজারের জন্য খুচরা ব্যবসায়ীরা দুষছেন পাইকারদের আর পাইকাররা দুষছেন কল মালিকদের। বেড়েছে ছোলা, বুট ও তেলের দামও।
ভোক্তারা বলছেন, প্রতি বছর রোজার আগে দাম বাড়ায় ভোগান্তি বাড়ছে। এদিকে, গরু-খাসির সরবরাহ না বাড়লে মেয়রের নির্ধারিত মূল্যে গোস্ত বিক্রি করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতি বছরই রমজান মাসে ভোগ্য পন্যের বাজারে অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি হয়। এ বছরও এর ব্যতিক্রম হয়নি। বেশির ভাগ পন্যের দাম এখনই বাড়তে শুরু করেছে আর চড়া বাজার দর বাড়িয়ে তুলছে সাধারণ ক্রেতাদের ভোগান্তি।
গেলো এক সপ্তাহে শুধু চিনির দাম কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা বেড়েছে। কেন এই দাম বৃদ্ধি? এমন প্রশ্নের জবারে খুচরা ব্যবসায়ীরা দুষছেন পাইকারী ব্যবসায়ীদের।
তারা বলছেন, পাইকাররা চিনির দাম বাড়িয়ে চলেছেন। শুধু তাই নয় ছোলা, বুট, তেলের দাম রমজান আসার মাস খানেক আগেই বাড়ানো হয়েছে। তবে পাইকারী ব্যবসায়ীদের দাবি, মিল থেকেই চিনির দাম বাড়ানো হয়েছে।
এদিকে, ভোক্তারা বলছেন, রমজানকে কেন্দ্র করে প্রতি বারই কিছু পন্যের দাম বাড়ানো হয়। তবে আগের বছরগুলোর চাইতে এবার কয়েকটি পন্যের দাম অনেক বেশি।
মঙ্গলবার এক সভায় দক্ষিণের মেয়র ঘোষণা দেন, ব্যবসায়ীরা গরুর মাংস ৪৭৫ টাকা ও খাসির মাংস ৭২৫ টাকায় বিক্রি করবেন। তবে দোকানিরা বলছেন, সরবরাহ না বাড়ালে এই দামে মাংস বিক্রি করা সম্ভব নয়।
আর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে পন্যের দাম বেশি রাখালেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আর এরইমধ্যে রোমজানের বাজার নজরদারি শুরু করেছে তারা। সপ্তাহের সাতদিনই চলবে তাদের অভিযান।
এদিকে, সাশ্রয়ী মূল্যে সীমিত পরিসরে খোলা বাজারে চলছে টিসিবির পণ্য বিক্রি। যেখানে কেজিতে টিসিবির চিনি ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, সেখানে বাজারে চিনির দাম ৭০ টাকার ওপরে।