এবার বড় বাজেট দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার— বাজেটের আকার হতে পারে ৪ লাখ ২৬৭ কোটি টাকা। এবার বাজেটে করপোরেট কর কমছে পাশাপাশি ভ্যাট অব্যাহতি পেতে যাচ্ছে বেশ কিছু খাত আর বাজেট অর্থায়নে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে রেকর্ড প্রায় ৪৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।
তারপরও বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ১ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা। নির্বাচনকে সামনে রেখে এটিকে সবাইকে খুশি করার বাজেট বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বাস্তবায়ন সম্ভব না জেনেও, আকার বাড়ানোকে সরকারের ভাঁওতাবাজি বলছেন তারা।
৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকার বাজেটই পুরোপুরি বাস্তবায়িত হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ে যেমন ঘাটতি আছে, ঘাটতি আছে উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়নেও।
এর মধ্যেই আগামী বাজেট ৪ লাখ ২৬৭ কোটি টাকা নির্ধারণ করার প্রস্তাব করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্পদ কমিটি। বাজেট অর্থায়নে প্রায় ২ লাখ ২৭১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য সরকারের। সে হিসেবে এবার বাজেট ঘাটতি থাকছে জিডিপির প্রায় ৫.৮% আর ঘাটতি মেটাতে সরকারকে নির্ভর করতে হচ্ছে ব্যাংক ঋণের ওপর।
নির্বাচনকে ঘিরে যেমন বাজেটের আকার বাড়ানো হচ্ছে, তেমনি বিশেষ ছাড় দেয়া হচ্ছে করপোরেট কর, আয়করেও। এবার করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা হতে পারে। ভ্যাট মুক্ত করা হচ্ছেওষুধ, চিকিৎসা, গণপরিবহনসহ বেশ কিছু পণ্য ও সেবা।
তবে আগামী বাজেট জনকল্যাণকর হবে বলেই আশ্বাস অর্থ প্রতিমন্ত্রীর।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের খুশি করতে, আইন সংশোধন করে তাদেরকে ভ্যাটের আওতার বাইরে রাখা হচ্ছে বলেও রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।