পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী জুন থেকে দ্বিতীয় ধাপে আবাসিকসহ সব ধরনের গ্যাসের দাম বাড়ায় অসন্তষ্ট সাধারণ মানুষ। রোজাকে কেন্দ্র করে সব জিনিসের দাম এমনিতেই বেশি, তাই এখন গ্যাসের দাম বাড়াটাকে বাড়তি চাপ বলেই তারা মনে করছেন।
গ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণে বিদ্যুতের দাম বাড়ার পাশাপাশি জিনিসপত্রের দাম আর বেড়ে যাবে যা অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
দ্বিতীয় ধাপে আবাসিকসহ সব ধরনের গ্যাসের দাম বাড়ার কার্যকারিতা স্থগিতের হাইকোর্টের আদেশ, চেম্বার আদালতে স্থগিত হওয়ায় জুন মাস থেকেই গ্যাসের বাড়তি দাম কার্যকরের ক্ষেত্রে সরকারের আর কোনো বাধা নেই।
এর ফলে এখন থেকে গ্রাহকদের এক চুলার জন্য ৯০০ টাকা এবং দুই চুলার জন্য ৯৫০ টাকা করে বিল দিতে হবে। প্রথম ধাপে দাম বাড়ার পর এক চুলার জন্য মাসে ৭৫০ টাকা এবং দুই চুলার জন্য ৮০০ টাকা দিতে হচ্ছিল গ্রাহকদের।
আবারো গ্যাসের এ দাম বাড়ানোকে দুর্ভোগ বলে মনে করছেন রাজধানীবাসী। নিত্যপণ্যের দাম, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোসহ নানা কারণে এমনিতেই নাভিঃশ্বাস অবস্থা। তাই বছরে দুইবার গ্যাসের এই দাম বৃদ্ধিকে কোনোভাবে মেনে নিতে পারছেন না সাধারণ মানুষ।
গ্যাসের এ দাম বৃদ্ধি অর্থনীতিতেও বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।
বিষয়টি পুনরায় বিবেচনা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান সাধারণ মানুষের।