৪ লাখ ২৬৬ হাজার কোটি টাকার সর্বকালের সর্ববৃহৎ বাজেট দিলেন অর্থমন্ত্রী। যাতে উন্নয়ন ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় এক তৃতীয়াংশ। বাজেট অর্থায়নে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে রাজস্ব বোর্ডের কাঁধে। তারপরেও ঘাটতি থাকছে জিডিপির ৫ শতাংশেরও বেশি। ঘাটতি পূরণে, অর্থমন্ত্রীর ভরসা দেশি-বিদেশি ঋণ ও অনুদান।
এবারের বাজেট গতবারের চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বড় তাই এ বাজেটের প্রায় ৩ ভাগের ১ ভাগ ব্যয় হবে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে। বাকিটা অনুন্নয়ন ব্যয়। যার মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন ভাতায় ব্যয় হবে সিংহভাগ। আর সরকারের ঋণ ও সুদ পরিশোধে বাকিটা।
এ জন্য সরকারকে রাজস্ব আহরণও করতে হবে আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৩৫ শতাংশ বেশি। প্রায় ২ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাজস্ব বোর্ডের দায়িত্ব ২ লাখ ৪৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এ অর্থ আদায়ে এনবিআর সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে ভ্যাটের ওপর।
এখাত থেকে লক্ষ্যমাত্রা ৯১ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকা। আয় ও করপোরেট কর থেকে ৮৬,৮৬৭ কোটি, আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক থেকে ৩০,১৫০ কোটি এবং সম্পূরক শুল্ক থেকে ৩৮,২১২ কোটি টাকা।
তারপরেও ১ লাখ ১২ হাজার ২৭৫ কোটি টাকার ঘাটতি থাকছে বাজেট অর্থায়নে। যা পূরনে সরকারের ভরসা ঋণের ওপর। এর মধ্যে দেশিয় উৎস থেকে ৬০,৩৫২ কোটি এবং বিদেশি উৎস থেকে ৫১, ৯২৪ কোটি টাকা।
তবে বছর শেষে, এ ঘাটতি মোকাবেলা করা সরকারের জন্য কঠিন হবে না বলে আশা অর্থমন্ত্রীর।