প্রস্তাবিত বাজেটে সকল পণ্যের ওপর ১৫% ভ্যাট নির্ধারণ করায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাত ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে মনে করছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। এর মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি বাড়বে বলেও মনে করছেন তারা। এছাড়া ব্যাংকিং খাতে আবগারী শুল্ক বৃদ্ধিকে নেতিবাচক হিসেবে দেখছেন তারা। বলছেন, এর মাধ্যমে ব্যাংকে আমানতকারী কমবে। এজন্য আবগারী শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি তাদের।
এছাড়া বিশাল বাজেট বাস্তবায়নে সুষ্ঠু তদারকির দরকার বলেও তাদের মত। প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর বিশ্লেষনধর্মী মতামত উপস্থাপন করতে গিয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি এসব মন্তব্য করেন।
২০১৭-১৮ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর ১ জুন তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানালেও, শনিবার নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিশ্লেষন ধর্মী মতামত উপস্থাপন করলেন, এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম। এসময় বিজিএমইএ, বিকেএমইএসহ অন্যান্য ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বিশাল আকারের বাজেটে আর্থসামজিক উন্নয়ন, দারিদ্র বিমোচন, মানব সম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যখাতসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে যথাযথ বরাদ্দ দেয়ায় সরকারের প্রসংশা করেন। তবে বিশাল আকারের বাজেট বাস্তবায়নে তদারিকর তাগিদ দেন তিনি
তবে কোনো খাত নিয়ে সরাসরি সমালোচনা না করলেও পণ্যের ওপর ১৫% ভ্যাট নির্ধারণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এফবিসিসিআই সভাপিত।
এছাড়া ব্যাংকিং খাতে আবগরী শুল্ক বাড়ানোটাকেও নেতিবাচক হিসেবে মনে করছে তারা। এই শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি তাদের।
এছাড়া আবাসন খাত, জুয়েলারি খাতে কর বৃদ্ধি করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা। এদিকে রাজস্ব আহরণে হয়রানি বন্ধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও এফবিসিসিআই একটি যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে সংবাদ সম্মেলন থেকে।