ব্লু-ইকোনমি বা সমুদ্র সম্পদকে কাজে লাগিয়ে বঙ্গোপসাগরকে অর্থনৈতিক উন্নতি ও সমৃদ্ধির কেন্দ্রস্থলে পরিণত করা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা। দূরদর্শিতা, মেধা, গবেষণা ও দক্ষতার মধ্য দিয়ে সাগরতলে লুকিয়ে থাকা সম্পদ ব্যবহার করতে পারলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।
রোববার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বেসরকারি সংস্থা কোস্ট আয়োজিত এক সেমিনারে এসব সম্ভাবনার কথা বলা হয়।
ব্লু- ইকোনমি, বাংলাদেশ এবং বে-অব বেঙ্গল রিজিওনাল কো_অপারেশন " শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে বেসরকারি সংস্থা কোস্ট। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থাপিত প্রবন্ধে সমুদ্র অর্থনীতির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়।
বক্তারা বলেন, বিশ্ববাণিজ্যের ৮০ ভাগই হয়ে থাকে সমুদ্র পথে। বাংলাদেশকে যদি চীন বা তার মতো বড় অর্থনীতি থেকে উপকৃত হতে হয় তাহলে সমুদ্র বন্দরগুলোকে আধুনিয়কায়ন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি মৎস প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র বলেন, বিষয়টি বাংলাদেশের কাছে একেবারেই নতুন এবং জটিল। সরকার সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বলে জানান তিনি।
আর সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনি সমুদ্র সম্পদ রক্ষা ও ব্যবস্থাপনায় সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে বলেন, রাজনীতি সঠিক পথে না চললে মানুষের কোনও অধিকারই রক্ষা হবেনা। সরকার সঠিক পথে চলছে বলে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রসঙ্গে দীপু মনি বলেন, পরিবেশ ও উন্নয়নে ভারসাম্য রেখেই সরকার এগিয়ে যাচ্ছে।