ঈদের আগেই চড়া দাম মাংসের বাজার— নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও বেশিতে বিক্রি হচ্ছে গরু ও খাসির মাংস। দাম বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে মুরগি। সেইসঙ্গে বাড়তি অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও। সরকারি তদারকিও কাজে আসছে না তেমন একটা।
আর পণ্যের দাম বাড়তে থাকায় হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা। তবে বিক্রেতাদের অভিযোগের তীর পাইকার আর আড়তদারদের দিকে।
রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে মাংসের দোকানগুলোতে গরুর মাংস সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত দাম লেখা রয়েছে কেজি প্রতি ৪৭৫ টাকা। অথচ বিক্রি হচ্ছে ৫০০টাকায়। দামের এই ফারাক নিয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারছেন না বিক্রেতারা। ক্রেতারাও অসহায়।
ঈদ কাছে চলে আসায়, ব্রয়লার মুরগির বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। তবে বৃষ্টির কারণে দাম বেড়েছে বলে জানালেন বিক্রেতারা।
নাজির শাইল ও মিনিকেট চাল কেজি প্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৭ থেকে ৬০ টাকায়।
তবে বিক্রেতারা বলছেন, পাইকার আর আড়তদার থেকে বেশি দামে কিনতে হওয়ায় চালের দাম বেড়েছে।
তেল, চিনি, ডালের দামও কিছুটা বেড়েছে। সবজির বাজারও চড়া। বেগুন, কাঁচামরিচ, টমেটো কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।
এদিকে, পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে বাজার তদারকি চলছে। জরিমানাসহ নানা ব্যবস্থা নিলেও, বাজারে তার তেমন প্রভাব নেই।