সংসদে শীর্ষ ঋণ খেলাপীর যে তালিকা দেয়া হয়েছে তা যথাযথ নয়—রাজনৈতিক বিবেচনায় রাঘব বোয়ালদের বাদ দিয়ে এ তালিকা দেয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তালিকা সংশোধন করে এতে বড় ঋণ খেলাপীদেরও অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা।
এর পাশাপাশি প্রকৃত ঋণ খেলাপীদের আইনের আওতায় এনে সৎ ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াতে সরকারকে অনুরোধ করেছেন তারা।
জাতীয় সংসদে ঋণ খেলাপী হিসেবে যে ১০০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী।
তালিকায় যে দুজন ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়েছে তাদের কেউই সামাজিকভাবে ততোটা পরিচিত নন। আর ৯৮টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় সবই মাঝারি ও ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান।
পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর মনে করেন, এ তালিকা অনেকটাই লোক দেখানো হয়েছে।
জানা গেছে, বড় বড় ঋণ খেলাপীদের বিশেষ কৌশলে তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে— নামমাত্র অর্থ পরিশোধ করার বিনিময়ে তাদেরকে পুন তফসিলের সুযোগ করে দিয়েছে সরকার।
এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি একে আজাদ বলেন, অনেক ব্যবসায়ী লোকসানের কারণে ঋণ পরিশোধ করতে পারেন নি। তাদেরকে এ ১০০ জনের তালিকায় ফেলা হয়েছে—কিন্ত যারা ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধ করছেন না তাদেরকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
দলীয় রাজনৈতিক স্বার্থের আগে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ব্যাংক খাতকে বাঁচাতে সরকারের প্রতি আহ্বান তাদের।