মুক্তবাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে একমত হওয়া শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফরের সবচেয়ে বড় অর্জন।
এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরো বাড়বে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
পাশাপাশি পারস্পরিক বিনিয়োগও বাড়ার আশা করছেন তারা। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করলে শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ দুই দেশই লাভবান হবে বলে অভিমত বিশ্লেষকদের।
প্রায় ২ কোটি মানুষের দেশ শ্রীলঙ্কা। এ দেশে রয়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং প্রসাধনীসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের ব্যাপক চাহিদা। কিন্ত একই অঞ্চলের দেশ হওয়া সত্ত্বেও, দেশটিতে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি মাত্র ৩০০ কোটি ডলার। আর সেখান থেকে আমদানি সাড়ে ৪০০ কোটি ডলার।
এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট শফিউল ইসলাম মহিউদ্দীন বলেন, শ্রীলঙ্কার ডাবল ট্যাক্সেশনের নীতি বাংলাদেশ থেকে রপ্তানির সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা।
মুক্তবাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হলে ওই প্রতিবন্ধকতা উঠে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
চুক্তি অনুযায়ী শ্রীলঙ্কাও বাংলাদেশে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে—এ কথা জানিয়ে বিসের চেয়ারম্যান মুন্সী ফয়েজ আহমদ বলেন, এতে দেশ দুটির মধ্যে আমদানি রপ্তানি এবং বিনিয়োগ কয়েকগুণ বাড়তে পারে।
বিনিয়োগের সে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে তা বাস্তবে রূপ দিতে তৎপর বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ- বিডার এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান কাজী আমিনুল ইসলাম জানান।
সব মিলিয়ে, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের এ সফর, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে খুব তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।