তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ধস, বিপর্যয়ের পূর্ব সংকেত। কার্যকর উদ্যোগ না নিলে বিপর্যয় ঠেকানো কঠিন হবে বলে আশংকা খাত সংশ্লিষ্টদের।
এ লক্ষ্যে সবার আগে বন্দরে যে সব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা দূর করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
আর ব্যবসায়ীদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে নজর দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি ব্রেক্সিট, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন এবং মুদ্রা বিনিময় হারের প্রভাব মোকাবেলার জন্য সরকারকেও তৎপর হওয়ার পরামর্শ তাদের।
গত দেড় দশকের মধ্যে এমন দুরাবস্থায় পড়েনি দেশের তৈরি পোশাক খাত। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মধ্যেও বিদায়ী অর্থবছরে এ খাতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি মাত্র দশমিক ২ শতাংশ।
এর জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ নানা কারণের পাশাপাশি ব্রেক্সিট, যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তিত নীতির মত বৈশ্বিক কারণও দায়ী বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
অভ্যন্তরীণ প্রতিবন্ধকতার মধ্যে বন্দরের অব্যবস্থাপনার কারণে পণ্য রপ্তানিতে লিড টাইম বা সময় বেশি লাগাকেই সবচেয়ে বেশি দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যা তো আছেই।
ব্যবসায়ীরা বলেন, ক্রেতারা বাংলাদেশের চেয়ে বেশি দামে হলেও এখন আস্থা রাখছেন ভারত আর ভিয়েতনামের ওপর।
একবার সেখানে অভ্যস্থ হয়ে গেলে তাদের এখানে ফিরে আসার সম্ভাবনা কমে যাবে তাই এসব অবকাঠামো আর বন্দর ব্যবস্থাপনার গতিপ্রকৃতির ওপর তৈরি পোশাকের ভবিষ্যত অনেকটাই নির্ভর করছে বলে মত ব্যবসায়ীদের।