বৈধভাবে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দিলে অর্থপাচার কমবে এ অভিমত জানিয়ে এ সংক্রান্ত বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনের পরিবর্তন চেয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীতে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেজ ফোরাম অব বাংলাদেশ-আইবিএফবি আয়োজিত এক সেমিনারে এ দাবি করেছেন তারা।
এই সুযোগ দিলে রপ্তানি আয় বাড়ার পাশাপাশি দেশে বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে বলে মনে করে আইবিএফবি সদস্যরা।
বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অর্থ নিয়ে যাওয়ার কোনো অনুমতি নেই— তারপরও বিদেশে প্রতিবছরই বাড়ছে বাংলাদেশিদের সম্পদ ও অর্থের পরিমাণ।
আইবিএফবির এ সেমিনারে বক্তাদের অভিমত, বাংলাদেশিদের বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ না থাকায়, অবৈধ পথে সেখানে অর্থ স্থানান্তরিত হচ্ছে। কিন্তু বিনিয়োগের সুযোগ থাকলে লাভের অংশ বাংলাদেশে ফেরত আসতো।
প্রচলিত বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন না থাকলেও সরকার বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে বর্তমানে কিছু প্রতিষ্ঠানকে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দিচ্ছে। কিন্তু এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন্র নীতিমালা নেই।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, বিদেশে বিনিয়োগ থেকে লাভ পেতে হলে বিদ্যমান আইন পরিবর্তন করতে হবে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ পেলে বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার আরো প্রসারিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোকে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ার পক্ষে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু রপ্তানি খাতের জন্য নয়, সব খাতের জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্তে এ সুযোগ চাই।’
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী সদস্য অজিত কুমার পাল, আইবিএফবির সভাপতি হাফিজুর রহমান খান, সহসভাপতি হুমায়ুন রশিদ, সাবেক সেনাপ্রধান হারুনুর রশিদ, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম প্রমুখ বক্তব্য দেন।