পাইকারি বাজারেই প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকার উপরে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম নিয়ন্ত্রণের সব অস্ত্র এখন সরকারের হাতে। মিয়ানমার, মিশর, পাকিস্তান ও চীন থেকে আমদানির উদ্যোগ নিলেই পেয়াজের দাম কমে আসবে বলে হিসেব তাদের।
তা না হলে, কোরবানি ঈদের সামনে পেয়াজের দাম একেবারেই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ার আশংকা করছেন তারা।
দেশে পেয়াজের চাহিদার দুই তৃতীয়াংশ দেশে উৎপাদিত হয়। বাকী চাহিদা মেটাতে পুরো নির্ভরশীলতা ভারতের ওপর। তবে ভারতেও এবার পেয়াজের উৎপাদন কম। যে কারণে দেশে তৈরি হয়েছে পেয়াজ সংকট।
সরবরাহ সংকটে দামের পালে হাওয়া লেগেছে বেশ জোরেশোরেই। দুই সপ্তাহ আগে, ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরের পেয়াজ এখন পাইকারি বাজারেই বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোরবানিকে কেন্দ্র করে যখন পেয়াজের চাহিদা আরো বাড়বে, তখন সংকট আরো গভীর হতে পারে। ভারতের উপর অতি নির্ভরশীলতার কারণে সেখানেও প্রতি দিনই বাড়ানো হচ্ছে রপ্তানিমূল্য।
তাদের মতে, এ সমস্যার সমাধান এখন সরকারের হাতে। বিকল্প উৎসগুলো থেকে পেয়াজ আমদানি শুরু করলে, ভারত সহ দেশি পেয়াজের দামও তখন কমতে থাকবে বলে তাদের ধারণা।
এদিকে, পেঁয়াজের ঝাজের আচ লাগতে শুরু করেছে আদা রসুনের বাজারেও। কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে দাম বাড়তে শুরু করছে এ সব পণ্যেরও।