সাভারে পুরোদমে চালুর অপেক্ষায় ট্যানারিগুলো—কিন্তু প্রস্তুত নয় কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধানাগার-সিইটিপি।
সলিড বর্জ্য, ক্রোম রিকভারি ইউনিটসহ পুরো অবকাঠামোরই যাচ্ছেতাই অবস্থা এখনো রয়ে গেছে।
এ অবস্থায় আগামী সপ্তাহ থেকে কোরবানির চামড়া ঢুকলে সাভারে পরিবেশবান্ধব শিল্প নগরীর অবস্থা আরো শোচনীয় হওয়ার আশংকা করছেন ট্যানারি মালিকরা।
সাভারে পরিবেশবান্ধব চামড়া শিল্প নগরীতে বর্তমানে প্রায় ৭৭টি ট্যানারি আংশিকভাবে চলছে।
আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু করে ২ মাসের মধ্যে এ ট্যানারিগুলোতে কোরবানির প্রায় ১ কোটি পশু চামড়া আসবে। এর মধ্যে উৎপাদনে আসবে বেশিরভাগ ট্যানারি।
কিন্ত এর জন্য প্রস্তুত নয় পরিবেশবান্ধব চামড়া শিল্প নগরীর অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক অবকাঠামোর কোনোটাই।
উন্মুক্ত অবস্থানেই ফেলা হচ্ছে কঠিন বর্জ্য নাজুক অবস্থা ড্রেনেজ ব্যবস্থায়ও। সেখান দিয়ে উপচে পড়া দুষিত পানি ছড়িয়ে পড়ছে শিল্প নগরীর অলিতে গলিতে।
কোরবানির চামড়া আসা শুরু করলে তরল বর্জ্যের চাপ বাড়বে বর্তমানের চেয়ে ৩ থেকে ৪ গুণ। কিন্তু এখন পর্যন্ত সিইটিপি পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি।
হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি শিল্প স্থানান্তরে হিসেবের খাতায় লাভ-ক্ষতির সমীকরণ তাই এখনো মেলানো সম্ভব হচ্ছে না।