বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে এশিয়ার স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থা বাংলাদেশের। বাংলাদেশে ৫০ শতাংশ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে এখনো বিদ্যুৎ সুবিধা যায়নি। বুধবার জাতিসংঘের উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের সবশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য।
প্রকাশ করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ-সিপিডি। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে, প্রতি বছর স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে জ্বালানি খাতে গড়ে ১ হাজার ২'শ কোটি থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ প্রয়োজন বলে মনে করে আঙ্কটাড।
প্রতিবেদন বলা হয়, ২০১৪ সালের তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশ মাত্র ৬০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করে। গ্রামে এ সংখ্যা আরো কম, মাত্র ৫০ শতাংশ। এর মধ্যেও আবার ঘনঘন লোডশেডিং তো আছেই। বিদ্যুৎ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এ অবস্থান আফগানিস্তান, নেপাল, ভুটান ও মিয়ানমারেররও পেছনে।
আরো বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে, কম দামে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে হবে। এ সুবিধা নিশ্চিত না করা গেলে, শিল্পায়ন বাড়বে না, জীবনযাত্রার মানও বাড়ানো সম্ভব হবে না। তবে এজন্য দরকার বিপুল পরিমাণে বিনিয়োগ।
আর আঙ্কটাডের প্রতিবেদন বলছে, উন্নত দেশগুলোর চেয়ে, স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে জ্বালানি খরচ দ্বিগুন। তাই কমদামের পরিবেশ বান্ধব জ্বালানির প্রতি নজর দিতে, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর প্রতি সুপারিশ আঙ্কটাডের।