সরকারের চলতি মেয়াদের চার বছরে সবচেয়ে বড় সাফল্য আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন আর বড় ব্যর্থতা জীবন যাত্রার অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা— বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিশ্লেষকরা আরো বলেন, জিডিপির প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু জাতীয় আয় এবং অন্যান্য সামাজিক সূচকে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তবে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও আর্থিক খাতে সুশাসন ফিরিয়ে আনতে না পারায়, মানুষের মধ্যে অস্থিরতাও বেড়েছে।
অর্থনীতিতে সরকারের সাফল্য যেমন আছে, তেমনি এ সময়ে তৈরি হয়েছে নতুন কিছু চ্যালেঞ্জ— উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞরা বলেন, গত চার বছরের সাফল্যের ধারাবাহিকতা চলতি বছরে ধরে রাখাকেও বড় চ্যালেঞ্জ।
এদিকে, প্রায় এক দশক ধরে ছয় শতাংশের বৃত্তে আটকে থাকা জিডিপির প্রবৃদ্ধি সাত শতাংশ অতিক্রম করেছে সরকারের চলতি মেয়াদের তৃতীয় বছরে। মাথাপিছু আয় বেড়ে দাড়িয়েছে ১৬১০ ডলারে।
মাথাপিছু জাতীয় আয়ের দিক থেকে বাংলাদেশ প্রবেশ করেছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে।এখন দেশের জাতীয় বাজেটও চার লাখ কোটি টাকারও উপরে।
সব মিলিয়ে সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ধরনের রুপান্তর ঘটেছে।
তবে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মন্দাবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ ২২ থেকে ২৩ শতাংশের বৃত্তেই আটকে আছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বলছে, কর্মসংস্থানের চিত্র আগের চেয়ে আরো খারাপ হয়েছে। কর্মসংস্থানের প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ থেকে নেমে এসেছে ১ দশমিক ৮ শতাংশ-এ। বেড়েছে আয় বৈষম্যও। দেশের আর্থিক খাতের অবস্থাও আগের চেয়ে খারাপ হয়েছে।