ব্যাপক কর্মসংস্থান এবং নিজস্ব সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার করে— উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে চায় সরকার— বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল মুহিত। শুক্রবার সকালে রাজধানীতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, যদি দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা করা যায় তাহলে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা কষ্ঠসাধ্য হবে না।
সার্বিকভাবে আগামী ৯ বছরে নিজস্ব সক্ষমতা উন্নয়নে সরকার ব্যাপক গুরত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, উন্নয়নশীল দেশে উত্তরনের পর, বাংলাদেশে প্রচুর বৈদেশিক বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। সুযোগ আসবে ব্যাপক আকারে মানব সম্পদ রপ্তানিরও। তবে চ্যালেঞ্জও কম নেই। শুধু রপ্তানিতেই ক্ষতি হবে ২'শ ৭০ কোটি ডলার। স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধাও বন্ধ হবে। কমে যাবে বিদেশে পড়াশুনোর জন্য বৃত্তি সুবিধা।
আর সরকারের যথাযথ নীতি সহায়তা পেলে ব্যবসায়ীরাও এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা।
স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের সারিতে উন্নীত হওয়ার পরও জাতিসংঘ বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহায়তা দেবে বলে আশ্বাস দিয়ে বিশ্বসংস্থাটির আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, শুল্কমুক্ত কোটা সুবিধা উঠে যাওয়ার পর বাংলাদেশ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে সজাগ থাকবে জাতিসংঘ।
এদিকে, উন্নয়শীল দেশে উত্তরণ, সুযোগ এবং করনীয় নিয়ে, এই আলোচনায়, ২০২৪ সালের পরে বাংলাদেশের করণীয় নিয়ে বিষদ আলোচনা করেন বিশ্লেষকরা।