আফগানিস্তান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার সবকটি দেশই উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার জাতিসংঘের দেয়া সবকটি শর্তই পূরণ করে—উন্নয়নশীল দেশের পথে যাত্রা শুরু করেছে।
আর যোগ্যতা থাকা সত্বেও নেপাল স্বল্পোন্নত দেশের কাতারেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় থাকা ৪৭টি দেশের মধ্যে, ৫টি দেশ উন্নয়শীল দেশের কাতারে উন্নীত হওয়ার প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ আর মিয়ানমার জাতিসংঘের ৩টি শর্তের সবগুলোই অর্জন করেছে। লাওস করেছে দুটি।
তবে বাংলাদেশ মনে করছে, উন্নয়শীল দেশের তালিকাভুক্ত হওয়াই লাভজনক। এটিকে অনেক বড় অর্জন হিসেবেও দেখছে দেশের সরকার।
জাতিসংঘের দেয়া শর্ত পূরণ করে, নেপাল ও তিমুরও উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার যোগ্যতা করেছে।
তবে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা, স্বল্পসুদে ঋণ ও অনুদান, উন্নত দেশ থেকে চলমান কারিগরি সুবিধা ছাড়তে চাচ্ছে না তারা। উন্নয়শীল দেশ হলে- এ সব সুবিধা ছাড়তে হবে বাংলাদেশকেও। এ সব সুবিধা ছাড়লেও তাতে কোনো অসুবিধা দেখছে না সরকার। বরং এটাকে বড় অর্জন হিসেবেই দেখছে তারা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, লাভ-ক্ষতি নির্ভর করছে- সরকারের নতুন পরিস্থিতি সামাল দেয়ার সক্ষমতার উপর। দক্ষিণ এশিয়ায় এখনও শুধু যুদ্ধবিধস্ত আফগানিস্তান উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।