চলতি বছরে বিশ্বপ্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক এক শতাংশ হবে বলে মনে করছেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিং।
গত ২০১১ সাল থেকে বিশ্ব অর্থনীতির অবকাঠামো পুনরুদ্ধার, শিল্প উৎপাদন ও বাণিজ্য, ভোগ্যপণ্য রপ্তানিকারক দেশগুলোর সুফল প্রাপ্তির কারণে এ প্রবৃদ্ধি বেড়েছে বলে মনে করেন তিনি।
তবে একে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে পরিণত করাই চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ঝর্ণা রায়ের রিপোর্ট।
গত ১৬ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে শুরু হয়েছে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংক বসন্তকালীন বৈঠক।
এতে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিং জানান, চলতি বছরে বিশ্ব প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৩ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে।
বিশ্ব অর্থনীতি এখন একটি শক্তিশালী ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি মনে করি ২০১৮ সালে বিশ্ব প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হবে।
গত ২০১১ সাল থেকে বিশ্ব অর্থনীতির অবকাঠামো পুনরুদ্ধার, শিল্প উৎপাদন ও বাণিজ্য বৃদ্ধি, ভোগ্যপণ্য রপ্তানিকারক দেশগুলোর ভোগ্যপণ্যের সুফল প্রাপ্তির কারণে এ প্রবৃদ্ধি বেড়েছে বলে জানান তিনি।
অর্থনীতির এ শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির সুফল যাতে দরিদ্র দেশগুলো পায় সেদিকে সবাইকে দৃষ্টি দেয়ার আহ্বানের কথা উল্লে খ করে একইসঙ্গে প্রতিটি মানুষকে এই প্রবৃদ্ধিতে অন্তর্ভুক্ত করাই এখনকার চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট।
চলতি সপ্তাহেই বিশ্বব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর জন্য আইডিএ নামে একটি অর্থনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে।