মূলধন ঘাটতি মেটাতে আগামী বাজেটে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা চাইছে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব রুপালী ব্যাংক। এ পরিমাণ টাকা পেলে— ভবিষ্যতে সরকারের কাছে আর টাকা চাওয়ার দরকার হবে না বলে আশা করছেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আতাউর রহমান প্রধান।
কিছু কিছু খাতে সংস্কার করায়, ব্যাংকটির প্রতি আস্থা সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। এতে কমে এসেছে খেলাপি ঋণও। আর লোকসান কাটিয়ে লাভের ধারায় ফিরছে ঐতিহ্যবাহী রুপালী ব্যাংক।
সাড়ে ৫'শরও বেশি শাখা, প্রায় দেড় কোটি গ্রাহক। অথচ পরিশোধিত মূলধন সাড়ে ৩'শ কোটি টাকারও কম। এটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব রুপালী ব্যাংকের চিত্র।
বর্তমানে একটি ব্যাংক শুরু করতেই যেখানে কমপক্ষে ৪'শ কোটি টাকা লাগে, সেখানে মাত্র সাড়ে ৩'শ কোটি টাকা মূলধন নিয়ে, এত বিপুল সংখ্যক গ্রাহককে যথাযথ সেবা দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।
সেবার মান বাড়াতে ব্যাপক হারে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করছে রুপালী ব্যাংক। গ্রামে গঞ্জেও স্থাপন করা হয়েছে এটিএম বুথ। বেড়েছে সেবার পরিসর। সব মিলিয়ে আর্থিক খাতের দুর্দিনেও, কিছুটা হলেও ইতিবাচক ধারায় ফিরছে রুপালী ব্যাংক।
বাজেট থেকে মূলধন সহায়তা পেলে, ঐতিহ্যবাহী ব্যাংকটি আবারো শক্তিশালী ভিতের ওপর দাঁড়াবে বলে আশা বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের।