আগামী বাজেটেও বহাল থাকছে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ— যদিও এ সুযোগের অনুকূলে খুব একটা সাড়া মিলছেনা। বিগত ৫ বছরে এ প্রক্রিয়ায় সাদা করা হয়েছে মাত্র ৮৫৬ কোটি টাকা।
তাই ব্যবসায়ী নেতা ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা আগামী বাজেটে এ সুযোগ না রাখতে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলছেন, কালো কাটা সাদা করার সুযোগ অব্যাহত থাকলে দুর্নীতিবাজরা আরো উৎসাহিত হবে।
বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার হিসেবে দেশে কালো টাকার পরিমাণ মোট জিডিপির ৪২ থেকে ৮২ শতাংশ। এই টাকা বৈধ করতে, বছরের পর বছর বাজেটে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তাতে সাড়া দিচ্ছেন না কালো টাকার মালিকরা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআরের হিসেবে, ২০০৯-২০১৩ সাল পর্যন্ত দেশে কালো টাকা সাদা করা হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা। আর ২০১৩-২০১৬ পর্যন্ত সাদা হয়েছে ৮৫৬ কোটি টাকা।
কালো টাকা সাদা করার এ সুযোগে কাঙ্খিত সাড়া পাওয়া না গেলেও, বাজেটে প্রতি বছরই বহাল রাখা হয় এই সুযোগ। তারওপর, ২০১২ সালে ১০ শতাংশ জরিমানা দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ স্থায়ী করা হয়েছে।
স্বাধীনতার পর থেকে এপর্যন্ত কালো টাকা সাদা করা হয়েছে ১৩ হাজার ৩৭২ কোটি টাকা।