করোপরেট কর কমানো নিয়ে দোটানায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড— একদিকে কমানোর বিষয়ে ব্যবসায়ীদের চাপ, অন্যদিকে রাজস্ব কমে যাওয়ার শংকা। ব্যবসায়ীদের দাবি, করপোরেট করের হার কমালে ব্যবসা-বাণিজ্য কর প্রদানে স্বচ্ছতা আসবে। তাতে রাজস্ব আদায়ও বাড়বে বলে হিসেব তাদের।
রাজস্ব আদায়ের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব বিশদভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে, করপোরেট কর কমানোর বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে থিংক ট্যাঙ্ক সিপিডি।
দেশের শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত এমন প্রতিষ্ঠানের জন্য করপোরেট কর হার ২৫ শতাংশ। আর তালিকা ভূক্ত না হলে করপোরেট কর হার ৩৫ শতাংশ।
আবার শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্ত ব্যাংক-বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল ফোন অপারেটরদের জন্য এ হার ৪০ শতাংশ। আর তালিকাভূক্ত না হলে, ব্যাংক-বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত করপোরেট কর ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ। মোবাইল ফোন অপারেটর ও সিগারেট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য ৪৫ শতাংশ।
বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত থেকে দেখা যায়, প্রতিবেশি ও প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায়ও বাংলাদেশে করপোরেট কর হার বেশি। ভারতে করপোরেট করের হার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। শ্রীলঙ্কায় ২৮ থেকে ৪০ শতাংশ। ভিয়েতনামে এ হার ২০ থেকে ৫০ শতাংশ।
এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে তাড়াহুড়ো না করতে, এনবিআরকে পরামর্শ দিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি।
তবে ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে, শেষ পর্যন্ত করপোরেট কর কিছুটা হলেও, কমানো হতে পারে বলে অর্থমন্ত্রণালয় সুত্রে জানা গেছে।