আগামী বাজেটে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য দেয়া হচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরকে। যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৩২ শতাংশ বেশি। নির্বাচনের বছরে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করছে এনবিআর।
করের আওতা বাড়িয়ে এবং কর ফাঁকি রোধ করে, এ লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান।
আর কর প্রশাসনের সংস্কার না করে এ লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আসছে ৪ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটে, রাজস্ব আদায়েল লক্ষ্যমাত্রা বেশ বড়। প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরকেই আদায় করতে হবে ২ লাখ ৯৪ হাজার কোটি টাকা। যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ৬৯ হাজার কোটি টাকা বেশি।
রেকর্ড থেকে দেখা যায়, বিগত ৬/৭ বছরে কোনবারই রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি ১৫/১৬ শতাংশের বেশি হয়নি। তাই নির্বাচনের বছরে, ৩২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনকে কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে এনবিআর।
এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রথমত গ্রামে-গঞ্জে কর জাল বিস্তৃত করার উদ্যোগ থাকছে আগামী বাজেটে। কর ফাঁকি রোধ করার জন্যও থাকছে বিশেষ পদক্ষেপ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকার এবছরও নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন করতে পারছেনা। কর প্রশাসনে যেসব সংস্কারের পরামর্শ দেয়া হয়েছিল, তাও করা হয়নি। তাই আগামী বাজেটেও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সম্ভাবনা দেখছেন না তারা।
চলতি অর্থবছরের বাজেটেও রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি থাকবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।