নির্বাচনের বছরের বাজেটে মানুষকে স্বস্তি দিতে চান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টার কথা থাকবে বাজেট বক্তৃতায়। ভোগ্যপণ্য আমদানির ওপর থেকে শুল্ক কমানোর ঘোষণা আসতে পারে বাজেটে। সাধারণ মানুষকে খুশি করতে কমানো হচ্ছে ন্যুনতম করের হার। আর ব্যবসায়ীদের খুশি করতে কমানো হচ্ছে করপোরেট করও।
বহুল সমালোচিত আবগারি শুল্ক একেবারে তুলে দেয়া হতে পারে। সব মিলিয়ে নিজের শেষ বাজেটকে স্মরণীয় করে রাখতে চান অর্থমন্ত্রী।
আগামী ৭ জুন ব্যক্তিগত রেকর্ড গড়া নিজের ১২তম বাজেট সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
এটিই হতে পারে অর্থমন্ত্রী হিসেবে সংসদে তার শেষ বাজেট উপস্থাপন।
জনগণকে খুশি রেখেই আগামী নির্বাচনে যেতে চায় সরকার। সেজন্য বাজেটে জনতুষ্টির সব চেষ্টাই করা হবে বলে জানা গেছে।
নিম্ন মধ্য আয়ের মানুষকে স্বস্তি দিতে বাজেট বক্তৃতায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন অর্থমন্ত্রী।
আমদানি নির্ভর ভোগ্য পণ্যের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক কমানোর বিষয়েও ঘোষণা আসবে বাজেটে।
নতুন করদাতাদের স্বস্তি দিতে ন্যুনতম কর হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হতে পারে বলেও জানা গেছে।
ব্যাংকে আমানতের ওপর কর অর্থাৎ আবগারি শুল্ক নিয়ে চলতি বাজেটে অনেক সমালোচনা সইতে হয়েছে অর্থমন্ত্রীকে। আগামী বাজেটে বিষয়টি একেবারে উঠিয়ে দেয়া হতে পারে বলেও জানা গেছে।
বড় ব্যবসায়ীদের তুষ্ট করতে করপোরেট করও ১ থেকে ২ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর চিন্তাভাবনা চলছে।
তবে এতসব সুখবরের মধ্যেও বড় অংকের বাজেট ঘাটতি নিয়ে বেগ পেতে হবে অর্থমন্ত্রীকে।