রাজস্ব আদায়ে আসছে বাজেটেও সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে মূল্য সংযোজন কর- মুসকের ওপর। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সুত্রে জানা গেছে মুসক, সম্পূরক ও আমদানি শুল্ক মিলে প্রায় ৬৫ শতাংশ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য থাকছে আগামী বাজেটে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের এ নীতিতে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের উপর বেশি চাপ পড়বে— কারণ এসব করের দায় ভোক্তাকেই মেটাতে হয়।
রাজস্ব আদায়ে তাই আয় ও মুনাফা করের উপর জোর দেওয়ার পরামর্শ তাদের।
দেশে উৎপাদিত কৃষি পণ্য বাদে, আমদানি নির্ভর বা আমদানি বিকল্প প্রতিটি পণ্যের দামের সঙ্গেই যোগ করা আছে সম্পুরক শুল্ক, আমদানি শুল্ক এবং মুল্য সংযোজন কর।
পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউট-পিআরআইয়ের এক গবেষণায় দেখা যায়, এসব শুল্কের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের গড় দামের চেয়ে, বাংলাদেশে ভোগ্য পণ্যের দাম ৭০ থেকে ১০০ শতাংশ বেশি। সে হিসেবে সরকারের কর রাজস্ব নীতির সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ ভোক্তাদের উপর।
প্রতিবারের মত, আগামী বাজেটেও সরকার মুসক, আমদানি ও সম্পুরক শুল্ক থেকে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করছে ৬৪ শতাংশের উপরে। আর আয় ও মুনাফার উপর কর থেকে লক্ষ্য থাকছে প্রায় ৩৪ শতাংশের কিছু বেশি। অন্যান্য উৎস থেকে থাকছে দেড় শতাংশের কাছাকাছি।
ভোগ্য পণ্যের উপর থেকে ভ্যাট-ট্যাক্স কমিয়ে, আয়কর ও মুনাফা করের আওতা বাড়ানোর উপর সরকারের মনোযোগ দেওয়া উচিৎ- এমনটা মনে করেন বিশ্লেষকরা।
এ নীতি অনুসরণ করলে— সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ কমবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।