নির্বাচনী বছরের বাজেটে কোনো ধরনের কর বাড়ছে না— করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকাই স্থির থাকছে।
কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না আয়কর হারে কমানো হচ্ছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করপোরেট কর। বর্তমানের ৯টির জায়গায় ভ্যাটের হার ৫টিতে নামিয়ে আনা হচ্ছে।
ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতাদের খানিকটা স্বস্তি দিতে কিছুটা কমছে ন্যুনতম আয়কর হার।
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনিতে উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে প্রায় ১১ লাখ। বাড়বে বিভিন্ন ভাতার পরিমাণও।
নির্বাচনের বছরে রাস্তাঘাট ঠিক করতেও থাকছে বড় অংকের বরাদ্দ।
আগামী ৭ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
নির্বাচনের বছরে ভোটারদের রুষ্ট করতে চাচ্ছে না সরকার— তাই আগামী বাজেটে করতাদাতের ওপর কোনো ধরনের চাপাচাপি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বাড়ছে না কোনো ধরনের কর।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তি শ্রেণীর ন্যুনতম করদাতাদেরও স্বস্তি দেয়ার চেষ্টা থাকবে। তাদের জন্য ৫ বা ৭ শতাংশের একটি আলাদা স্তর রাখা হতে পারে। আর ভ্যাটের বর্তমান রেট ৯টির জায়গায় ৫টিতে নামিয়ে আনা হচ্ছে। দেড়, আড়াই, সাড়ে চার ও ৫ উঠিয়ে দিয়ে নতুন ভ্যাটের হার হতে হচ্ছে ২, ৩, ৬, ১০ ও ১৫ শতাংশ।
দেশের বয়স্ক নাগরিক, মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধীসহ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় উপকারভোগীদের ভাতা আরো বাড়ানো হচ্ছে। উপকারভোগীর সংখ্যায় যোগ হচ্ছে আরো ১১ লাখ।
কম দামি আটা-রুটি-বিস্কুটের ওপর থেকে ভ্যাটে ছাড় দেয়া হতে পারে বলেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।
অর্থবছরের শুরু থেকে ব্যাপক আকারে টিআর, কাবিখা কর্মসূচি চালুর ব্যাপারেও নির্দেশনা থাকছে বাজেটে।
তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, গুগল-ইউটিউবে বিজ্ঞাপন এবং অনলাইনে বেচাকেনার ওপর আগামী বাজেটে কর আরোপ করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।