জুলাইয়ের আগে পাওয়া যাচ্ছে না তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি— তবে এর মধ্যেই শুরু হয়েছে দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এলএনজি গ্যাস না দিয়ে দাম বাড়ানো বেআইনি।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিআরসির এখতিয়ার বহির্ভুত।
তবে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু দায় চাপালেন বিইআরসির ঘাড়েই।
এলএনজি বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস গত এপ্রিলেই যোগ হওয়ার কথা ছিল জাতীয় গ্রিডে। এরপর মে তারপর জুন মাসে দিন তারিখ ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
গ্যাস না আসলেও এরই মধ্যে দাম বাড়ানোর তোড়জোড় শুরু করেছে সরকার।
সেখানে বর্তমান প্রতি ঘনফুট গ্যাস ৭ টাকা ৩৫ পয়সা থেকে প্রায় দ্বিগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তাদের এ প্রস্তাবের উপর শুনানিও করেছে বিইআরসি।
প্রতিমন্ত্রীর জানান, বর্তমানে প্রতি ঘনফুট ৭ টাকা ৩৫ পয়সা দরে দেশীয় ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের সঙ্গে প্রায় দ্বিগুণ দামের আমদানিকৃত ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে। এ কারণে দাম বাড়াতেই হবে। তবে, চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিবে বিইআরসি।
দাম যাই বাড়ুক তা গ্রাহকদের সহনীয় পর্যায়েই থাকবে বলে আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর।