কোণঠাসা বাংলাদেশ ব্যাংক— আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রণ এখন ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবির হাতে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডিপুটি গভর্নর ইব্রাহিম খালিদ বলেন, সরকারই টাকার কাছে পরাভূত হয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিকল্প শক্তি হিসেবে বিএবিকে ক্ষমতায়ন করেছে।
এর মাধ্যমে কিছু সংখ্যক বিত্তশালী ব্যক্তির লাভের জন্য কোটি কোটি মানুষের স্বার্থ জলাঞ্জলি দেয়া হয়েছে বলে তাদের অভিমত।
এ অন্যায়-অনিয়মের ফল ভয়াবহ পরিণাম ডেকে আনবে বলেও তাদের আশঙ্কা।
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, সিআরআর কমানো, করপোরেট ট্যাক্স কমানো এবং সর্বশেষ ঋণ আমানতের সুদ নয়-ছয়।
বাংলাদেশ ব্যাংককে পাশ কাটিয়ে এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংক মালিকদের সমিতি- বিএবি। তাতে সায় মিলেছে সরকারেরও।
গুলশানের জব্বার টাওয়ার। ব্যাংক মালিকদের সমিতি-বিএবির কার্যালয়।
বাংলাদেশ ব্যাংককে পাশ কাঠিয়ে এসব সিদ্ধান্ত এসেছে এ টাওয়ার থেকেই— এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক আসলে কে? বাংলাদেশ ব্যাংকেরই বা ভূমিকা কী।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার ব্যাংক মালিকদের অর্থের কাছে আত্মসমর্পন করেছে আর খর্ব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্তৃত্ব।
ঋণ-আমানতের নয়-ছয়ের মত, ব্যাংক খাতের অবস্থাও এখন নয়-ছয় বলেও অভিযোগ তাদের।
দেশ টিভিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন তারা।