ত্রিপক্ষীয় কমিটির প্রস্তাবিত কাঠামোতে বেসিক মজুরির হার কমেছে তবে বেড়েছে মোট মজুরি। অনেক শ্রমিক নেতা এটাকে শ্রমিকদের প্রতি মালিকদের প্রহসন বলে অভিযোগ করেছেন।
যেহেতু প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন তাই শতভাগ প্রত্যাশা পুরন না হলেও নতুন কাঠামোকে মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অনেক শ্রমিক নেতা।
নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণা করার পরও থামেনি শ্রমিক অসন্তোষ। সোমবারও আশুলিয়ার অনেক কারখানায় কাজে যোগ দেয়নি শ্রমিকরা।
শ্রমিকনেতারা বলছেন, মজুরির নতুন যে কাঠামো দেয়া হয়েছে তাতে শুভঙ্করের ফাঁকি আছে। আগের চেয়ে বেসিক মজুরি কমিয়ে দেয়া হয়েছে।
সব শ্রমিক সংগঠন ও শ্রমিক নেতাদের এ সিদ্ধান্ত মেনে নেয়ার আহবানও জানিয়েছেন ত্রিপক্ষীয় কমিটির সদস্য।
আগের তুলনায় বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বেশি বাড়ানোর কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে ব্যাখা দিয়েছেন পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠনের (বিজিএমইএ) সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।
এদিকে, ২০১৩ সালে ঘোষিত মুজুরি কাঠামোর সঙ্গে প্রস্তাবিত মজুরি কাঠামোর তুলনা করলে দেখা যায়, গ্রেডভেদে মোট মজুরি বেড়েছে ২ হাজার ৭'শ টাকা থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে বেসিকের হার কমে গেছে।
২০১৩ সালে ৭ নম্বর গ্রেডে বেসিক ছিল প্রায় ৫৭ শতাংশ। তবে প্রস্তাবিত কাঠামোতে তা কমে হয়েছে ৫১ শতাংশের একটু বেশি। একইভাবে ৬ষ্ঠ গ্রেডে সাড়ে সাতান্ন থেকে থেকে নেমে এসেছে, ৫২ শতাংশে।
৫ম গ্রেডে ৫৮.৪২ শতাংশ থেকে ৫২.৭৬ শতাংশ। ৪র্থ গ্রেডে ৫৯ শতাংশ থেকে নেমে ৫৩ শতাংশ, ৩য় গ্রেডে ৬০ শতাংশ থেকে নেমে ৫৪ শতাংশ, ২য় গ্রেডে ৬৪ শতাংশ থেকে নেমে ৫৮ শতাংশ এবং ১ নম্বর গ্রেডে ৬৫ থেকে নামিয়ে ৫৯ শতাংশ করা হয়েছে।