বাজারে তারল্য পরিস্থিতি ও ব্যাংক সুদ হার নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদ আর ব্যবসায়ীরা।
আর্থিক খাত স্থিতিশীল রাখতে, ঋণ খেলাপি ও অর্থপাচারকারীদের কঠোর হস্তে দমন এবং রপ্তানি ও রেমিটেন্স বাড়ানোর প্রতি মনোযোগী হতে নীতি নির্ধারকদের প্রতি পরামর্শ দিয়েছেন আইবিএফবিয়ের সাবেক সভাপাতি হাফিজুর রহমান খান ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি একে আজাদ।
দেশ টিভিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে এ কথা বলেন তারা।
তারা বলছেন, মুদ্রানীতির ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি খাতে অতিরিক্ত ঋণ প্রবাহের ফলে বাজারে তারল্য সংকট তৈরি হতে পারে। এতে বেড়ে যাবে ব্যাংক সুদের হার। যার ফলে, অর্থের অভাবে বেসরকারি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে বলে আশংকা করছেন তারা।
কারা বলেন, সরকারি খাতে বেশি ঋণ দিলে,মুদ্রানীতিতে ঘোষিত বেসরকারি খাতে সাড়ে ১৬ শতাংশ ঋণ প্রবৃদ্ধিও অর্জন করা সম্ভব হবে না।
বেসরকারি খাতে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ১৬ শতাংশ আর সরকারি খাতে প্রায় আড়াই শতাংশ বাড়িয়ে ১০.৯ শতাংশ ঋণ প্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতিতে।
পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, বেসরকারি খাতে সাড়ে ১৬ শতাংশ ঋণের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা অনেক কঠিন হবে। কারণ সরকারি খাতে অতিরিক্ত ঋণ প্রবাহের ফলে বেসরকারি খাতে ঋণ দেয়ার মত যথেষ্ট অর্থ বাজারে থাকবে না।
চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র সাড়ে ৬ শতাংশ। বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা মেটাতে কমে আসছে রিজার্ভের পরিমাণও। ক্রমেই বাড়ছে আমদানির পরিমাণ।
এর ফলে, ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়া ছাড়া সরকারের হাতে বেশি বিকল্পও নাই। সব মিলিয়ে আগামীতে বেসরকারি খাতে ঋণের যোগান নিয়ে উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা।
আর্থিক খাত স্থিতিশীল রাখতে, ঋণ খেলাপি ও অর্থপাচারকারীদের কঠোর হস্তে দমন এবং রপ্তানি ও রেমিটেন্স বাড়ানোর প্রতি মনোযোগী হতে নীতি নির্ধারকদের প্রতি পরামর্শ দিয়েছেন আইবিএফবিয়ের সাবেক সভাপাতি হাফিজুর রহমান খান ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি একে আজাদ।