আসন্ন রোজাকে সামনে রেখে সারাদেশে ন্যায্যমূলে নিত্যপণ্য বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি।
প্রত্যেকটি পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে উল্লেখ করে খুচরা বাজারের তুলনায় কম মূল্যে পণ্য সামগ্রী বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছে টিসিবি কর্তৃপক্ষ।
রমজান মাসের শেষ দিন পর্যন্ত এ বিক্রি চলবে বলে জানান তারা।
টিসিবির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সব সময় এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সাধারণ মানুষের।
রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থার পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত মূল্যের বেশি দাম নিলে ব্যবস্থা নেয়া কথা জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
রমজান মাস আসার আগেই মুসুর ডাল, সয়াবিন তেল, চিনি ছোলার মতো নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম থাকে বাড়তির দিকে। এবারো তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকা কেজিতে, মুসুর ডাল ৮৫ টাকা আর ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে।
সিন্ডিকেটের কারণে এই দাম বেড়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন খুচরা বিক্রেতারা।
রমজানে পণ্যমূল্য সহনীয় করে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে, সয়াবিন তেল, চিনি আর মসুর ডাল ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করার মধ্যে দিয়ে মঙ্গলবার থেকেই নিজেদের কার্যক্রম শুরু করেছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি।
এই তিনটি পণ্যে বিক্রির পাশাপাশি রোজার শুরুর দিন থেকেই ছোলা আর খেজুর বিক্রি শুরু করা হবে।
সয়াবিন তেল কেজিতে ৮৫ টাকা, চিনি ৪৭ টাকা এবং মসুর ডাল ৪৪ টাকা দরে বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছে টিসিবি কর্তৃপক্ষ।
তারা জানান, সারাদেশে ট্রাকে ১৮৭ স্পটে এই পণ্যেগুলো বিক্রি করা হবে।
এই কার্যক্রমের মধ্যে দিয়ে দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির লাগাম কিছুটা টেনে ধরা যাবে বলে মনে করেন টিসিবি কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, টিসিবির এই কার্যক্রম শুরু হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন সারা বছর এই ধরনের কার্যক্রম চালালে তাদের জন্য সুবিধা হয়।
রমজানে ভোক্তারা যাতে কোনো ধরনের সমস্যায় না পড়েন সেজন্য দ্রব্য মূল্যে সহনীয় রাখতে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
এর পাশাপাশি বাজার মনিটরিং এ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।