অর্থনীতি

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে নতুন রেকর্ড বাংলাদেশে

 বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে নতুন রেকর্ড বাংলাদেশে     প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের বিস্তারের মধ্যে যখন থমকে আছে পুরো বিশ্বের অর্থনীতি। ঠিক সে সময়ে বাংলাদেশের জন্য সুসংবাদ। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদিশিক মুদ্রার সঞ্চয়ন (রিজার্ভ) প্রথমবারের মত ৩৪ বিলিয়ন ডলার (তিন হাজার
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে নতুন রেকর্ড বাংলাদেশে প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের বিস্তারের মধ্যে যখন থমকে আছে পুরো বিশ্বের অর্থনীতি। ঠিক সে সময়ে বাংলাদেশের জন্য সুসংবাদ। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদিশিক মুদ্রার সঞ্চয়ন (রিজার্ভ) প্রথমবারের মত ৩৪ বিলিয়ন ডলার (তিন হাজার

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের বিস্তারের মধ্যে যখন থমকে আছে পুরো বিশ্বের অর্থনীতি। ঠিক সে সময়ে বাংলাদেশের জন্য সুসংবাদ। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদিশিক মুদ্রার সঞ্চয়ন (রিজার্ভ) প্রথমবারের মত ৩৪ বিলিয়ন ডলার (তিন হাজার ৪২৩ কোটি) মাইলফলক অতিক্রম করে করেছে।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক সূ‌ত্রে এ তথ্য জানা গে‌ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমদানি ব্যয়ের চাপ কম, দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও জাইকার বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও বিশ্ব সংস্থার অনুদানের কারণে রিজার্ভ বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, ৩ জুন পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমকি ২৩ বিলিয়ন ডলার। এর আগে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ৩৩ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন (৩ হাজার ৩৬৮ কোটি ডলার) রিজার্ভ অতিক্রম করেছিল। এর পর দীর্ঘ দিন ৩১ থেকে ৩২ বিলিয়ন ডলারে উঠানামা করেছে রিজার্ভ।

বেসরকারি পর্যায়ে বৈদেশিক মুদ্রার ঋণের দায় ও এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু) দায় শোধ করলে এ রিজার্ভ আবারও কমে যাবে বলছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ- এই নয়টি দেশ বর্তমানে আকুর সদস্য। এই দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ যে সব পণ্য আমদানি করে তার বিল দুই মাস পর পর আকুর মাধ্যমে পরিশোধ করে থাকে। বাংলাদেশ সর্বশেষ গত মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মেয়াদের আকুর বিল (প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার) পরিশোধ করেছে। আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহে মার্চ ও এপ্রিল মেয়াদের আকুর বিল পরিশোধ করতে হবে। এটি পরিশোধ করছে রিজার্ভ আবারও কমে যাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) ইপিজেডসহ রফতানি খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে দুই হাজার ৮২৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আমদানি বাবদ ব্যয় করেছে চার হাজার ৩৩ কোটি ডলার।

সেই হিসেবে মা‌র্চ শেষে দেশে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২০৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় (বিনিময় হার ৮৫ টাকা ধরে) দাঁড়ায় এক লাখ ২ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা। ঘাটতির এ অংক ২০১৮-১৯ অর্থবছরের একই সময় ছিল এক হাজার ২২০ কোটি ১০ লাখ ডলার।

আলোচিত সময়ে, আমদানি কমেছে ৪ দশমিক ৮১ শতাংশ। রফতানি কমেছে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। তবে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৬ দশমিক ০৬ শতাংশ।

দেশটিভি/এমএ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

ইবিএইউবি-এ পালিত হলো ‘শেখ রাসেল দিবস’

আবার দাম কমেছে স্বর্ণের

জুয়েলারি পণ্য অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উম্মোচন করবে: এফবিসিসিআই সভাপতি

গার্মেন্টস শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একসঙ্গে কাজ করবে বিজিএমইএ, আইজি ও আয়াত এডুকেশন

‘চায়না-বাংলাদেশ বাণিজ্য সহজীকরণ’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ