অর্থনীতি

এশিয়া ফাউন্ডেশন-ইআরএফ-র্যা পিডের আলোচনা সভায় বক্তারা

প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধা সংগঠিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বেশি পেয়েছে

প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধা সংগঠিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বেশি পেয়েছে
প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধা সংগঠিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বেশি পেয়েছে

করোনার প্রভাব মোকাবেলা ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজগুলো খুবইকার্যকর ভুমিকা রেখেছে। তবে প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধা বেশি পেয়েছে সংগঠিত ব্যবসায় গোষ্ঠী। অনানুষ্ঠানিক খাতের যেসব জায়গায় এ সুবিধা দরকার ছিলো তার অনেক ক্ষেত্রেই পৌঁছায়নি। এর অন্যতম কারণ প্রাতিষ্ঠানিক দূর্বলতা। ফলে সংকট মোকাবেলার উদ্যোগ কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কৌশলে সংস্কার আনা দরকার।

আজ শনিবার ‘কোভিড-১৯ প্রণোদনা প্যাকেজ : প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এমন মতামত দিয়েছেন। এশিয়া ফাউন্ডেশন, ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম(ইআরএফ) ও গবেষণা সংস্থা র‌্যাপিড যৌথভাবে অনলাইনে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এমন মান্নান। পরিকল্পনা মন্ত্রীও বক্তাদের মতামতের সঙ্গে ঐক্যমত প্রকাশ করেছেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে। এ ঘাটতি দূর করতে সরকার বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, যেকোনো জরুরি বা সংকটময় পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিরোধ উদ্যোগ খুবই গুরুত্বপূর্ন। করোনার ক্ষেত্রে সরকার সেটাই করেছে। অবশ্যই ব্যাংক খাতের মাধ্যমে করা হয়েছে, বিশ্বের অন্যান্য দেশেও তাই করেছে। একথা সত্য সুবিধা কারা পাবে, তা চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে প্রথম দিকে কিছু ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকতে পারে। তবে পরে সেগুলো ঠিক করা হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সুবিধাভোগী সঠিকভাবে চিহ্নিত করা ক্ষেত্রে। সরকারের মূল লক্ষ্য সমস্যা সমাধান করা।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন র্যা পিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক। তিনি বলেন, সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজগুলো অবশ্যই ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির ৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ গত ডিসেম্বরে ২২ তম অবস্থানে ছিলো। চলতি জানুয়ারিতে যদিও তা কিছুটা অবনতি হয়ে ২৯ তম হয়েছে।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমিত রোগী সনাক্ত হয়। এর কয়েকটি পরেই ২৫ মার্চ সরকার রপ্তানি খাতের কর্মীদের বেতন দেওয়ার জন্য মাত্র ২ শতাংশ সার্ভিস চার্জে ৫ হাজার টাকার একটি তহবিল ঘোষণা করে। এরপর করোনার প্রভাব মোকাবেলায় বিভিন্ন খাতের জন্য পর্যায়ক্রমে ২৮টি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এসব প্যাকেজে এক লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকা জড়িত, যা দেশের জিডিপির প্রায় ৬ শতাংশ। বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার ঘোষিত প্যাকেজের ৮৫ ভাগ মুদ্রা বাজার কেন্দ্রিক অর্থাৎ ব্যাংক ঋণ নির্ভর। যদিও অর্থবিভাগের দাবি ঘোষিত প্যাকেজে সরকারের বাজেট থেকে বরাদ্দ বাড়ছে। বর্তমানে ৭০ শতাংশ ব্যাংক ব্যবস্থা নির্ভর। এই প্যাকেজগুলো অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কতটা ভুমিকা রেখেছে, সরকারের এই উদ্যোগের ভুমিকা আরও প্রসারিত করার কী করা যেতে পারে, যেসব প্রতিষ্ঠান এসব কার্যক্রমে সম্পৃক্ত তাদেও ভূমিকা আরও কার্যকর করতে কী করা দরকার, কারা সুবিধা পেয়েছে, যারা পাননি তারা কেন পাননি বা তাদের জন্য কী করা যেতে পারে এসবই ছিলো ওয়েবিনারের আলোচনার বিষয়।

ইআরএফ সভাপতি শারমীন রিনভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম।

দেশটিভি/এসকেএস
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

ইবিএইউবি-এ পালিত হলো ‘শেখ রাসেল দিবস’

আবার দাম কমেছে স্বর্ণের

জুয়েলারি পণ্য অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উম্মোচন করবে: এফবিসিসিআই সভাপতি

গার্মেন্টস শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একসঙ্গে কাজ করবে বিজিএমইএ, আইজি ও আয়াত এডুকেশন

‘চায়না-বাংলাদেশ বাণিজ্য সহজীকরণ’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ