রাজধানীর রামপুরা মালিবাগ চৌধুরীপাড়া বউ বাজার এলাকায় ভাঙারি দোকান ও গ্যারেজে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়েছে। এতে দোকান মালিকসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন, দোকান মালিক মো. নাদের আলী (৫০), মো. সিদ্দিকুর রহমান ওরফে সিদ্দিক (৬০), মো. হেলাল উদ্দিন (৫০), মো. নুর নবী (৫১) ও মো. ইউসুফ আলী (৪৯)। এদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর বাসসের।
বুধবার দিবাগত রাত ১টা ৪২ মিনিটে মালিবাগ চৌধুরীপাড়া বউ বাজার মাটির মসজিদ এলাকায় একটি ভাঙারি দোকান ও একটি গ্যারেজে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের খিলগাঁও থেকে দু'টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
পরে রাত ২ টা ১২ মিনিটে আগুন নির্বাপন করতে সক্ষম হয় "দি লাইফ সেভিং ফোর্স বাহিনী"।
ফায়ার সার্ভিস সদরদপ্তরের ডিউটি অফিসার লিমা খানম জানান, আগুনে ভাঙারি দোকানের মালিক মো, নাদের আলী (৫০)সহ ৫ জন দগ্ধ হয়েছেন।
গ্যারেজ মালিকের নাম মো, শহিদুল বলে জানা গেছে। তাদেরকে স্থানীয় লোকজন উদ্বার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছে।
আগুনে ৫০ হাজার টাকার মালামাল ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে জানা যায়। প্রায় ২ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
প্রত্যক্ষদর্শী আকরাম হোসেন ও রাসেলের উদ্বৃতি দিয়ে পুলিশ জানায়, বুধবার দিবাগত মধ্যরাত পৌনে ২ টার দিকে রামপুরা মালিবাগ চৌধুরী পাড়া বউ বাজার এলাকায় রাসেল এন্টার প্রাইজ নামে ওই ভাঙাড়ির দোকানে মালিকসহ ৫ শ্রমিক একটি পিকআপভ্যানে ভাঙাড়ির মালামাল তুলছিলেন। তখন সেখানে হঠাৎ আগুন লেগে য়ায়।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাজধানীর রামপুরা চৌধুরীপাড়া থেকে দগ্ধ ৫ জনকে এখানে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে সিদ্দিকের শরীরের ৫২ শতাংশ, হেলালের শরীরের ৮৫ শতাংশ, নাদের আলীর শরীরের ৪৩ শতাংশ, নূরনবীর শরীরের ৪২ শতাংশ ও ইউসুফ আলীর শরীরের ১২ শতাংশ পুড়ে গেছে। এদের মধ্যে চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।