দেশের রাজধানী ঢাকার খোলা বাজারে ডলারের দাম বেড়ে ১০০ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। মুদ্রাস্ফীতি চলছে বিশ্বজুড়ে। এর জন্য ডলারের সংকট বেড়েই চলছে। বাজারের দখল হারাচ্ছে ডলার।
বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) বাজার থেকে ডলার কিনতে হয়েছে ৯৮ টাকা ৬৫ পয়সা থেকে ৯৯ টাকা ৬০ পয়সা। যা আগের দিন ৯৭ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৯৮ টাকায় ডলার বিক্রি হয়।
মতিঝিল এবং এর আশপাশে সবচেয়ে বেশি মানি এক্সচেঞ্জ রয়েছে। এসব স্থানে এমন দামই দেখা গেছে।
আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার কিনতে আজ খরচ হয়েছে ৯৩ টাকা ৯৫ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংক আজ সরকারি আমদানি বিল মেটাতে এ দরে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করেছে। নিয়ম অনুযায়ী এটাই ডলারের আনুষ্ঠানিক দর।
২০২১ সালের ৩ আগস্ট থেকে দুই-এক পয়সা করে বাড়তে বাড়তে গত বছরের ২২ আগস্ট প্রথমবারের মতো ৮৫ টাকা ছাড়ায়। এ বছরের ৯ জানুয়ারিতে এটি বেড়ে ৮৬ টাকায় কেনাবেচা হয়। এরপর ২২ মার্চ পর্যন্ত এ দরেই দাঁড়িয়ে ছিল। পরে গত ২৩ মার্চ আন্তঃব্যাংকে আরও ২০ পয়সা বেড়ে ৮৬ টাকা ২০ পয়সায় পৌঁছে। ২৭ এপ্রিল আরও ২৫ পয়সা বাড়ে। ১০ মে বাড়ে আরও ২৫ পয়সা। ১৬ মে বাড়ে ৮০ পয়সা। ২৩ মে বাড়ে ৪০ পয়সা। এই বড়তি অবস্থা থেকে এখন পর্যন্ত কমার কোনো লক্ষণ নেই।
মদ্রাবাজারের অস্থিরতায় ডলারের তেজ বাড়ছে। তেমনি ডলারের বিপরীতে ইউরোর দরপতন হচ্ছে। তবে পাউন্ড এখনও তার আগের অবস্থান কিছুটা ধরে রাখতে সক্ষম হচ্ছে।
রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করেছে আমেরিকাসহ ইউরোপীয় দেশগুলো। ফলে রাশিয়ার মুদ্রায় অন্য কোনো দেশ পণ্য আমদানি-রপ্তানি করতে পারছে না। এ অবস্থা মোকাবিলা করতে রাশিয়া তার মিত্র দেশগুলোকে নিয়ে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। তারা বিকল্প লেনদেন পদ্ধতি চালু করছে।