ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ডের (আইএমএফ) কাছে ঋণ চাইলেও বহুপাক্ষিক ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানটির শর্ত বিবেচনা করে তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চায় বাংলাদেশ।
বুধবার (২৭ জুলাই) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
গত সপ্তাহে আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন ‘দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো, আইএমএফ এর কাছ থেকে লোন দরকার হবে না।’
এক সপ্তাহের ব্যবধানে এমন কী হলো যে আইএমএফের কাছে ঋণের জন্য চিঠি দিতে হলো-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনীতিতে এখনও খারাপ কিছু হয়নি। এখনও যথেষ্ট ভালো। তবে বিষয়টি বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে। আমরা যদি সবসময় বলি, আমার টাকা লাগবে, তাতে যদি আমাদের চাহিদা প্রকাশ পায়, তাদের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি হতে পারে। তাই আমরা বলি, আমার প্রয়োজন নেই। কিন্তু আপনি যদি দেন, দিতে পারেন। সে কারণে সে সময় আমরা এটা বলিনি।’
মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ আইএমএফ-এর কাছে ৪.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ চায়।
ঋণ চাওয়ার এই খবর সামনে আসার পর ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার আইএমএফের কাছে চিঠি লিখে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সহায়তা চেয়েছে।
আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আমরা গত সপ্তাহে চিঠি লিখেছি এটা সত্য, কিন্তু কত টাকা লোন দরকার তা কিন্তু চিঠিতে উল্লেখ করিনি। আমরা অর্থ চাই, যা আমি আগেও বলেছি। কত লাগবে তা বলিনি। তারা কী শর্ত দেয় সেটি দেখবো। তারপর বিবেচনা করবো লোন নেবো কিনা।’