সারাদেশে ২৩৪টি পৌর নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত রাজশাহী, কুষ্টিয়া ও চাঁদপুরের ৬টি পৌরসভার ৯ জন মেয়র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামীকাল (রোববার) বিকেল পর্যন্ত চলবে যাচাই বাছাইয়ের কাজ।
এদিকে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর থেকেই নির্বাচনী এলাকাগুলোতে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবের আমেজ। নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা।
পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল ৩ ডিসেম্বর। শনিবার সকাল থেকে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের উপস্থিতিতে তাদের দাখিল করা কাগজপত্র ও হলফনামা যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। রোববার বিকেল পর্যন্ত চলবে এ কাজ।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া তথ্যে গরমিল থাকায় যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিনে রাজশাহীর আড়ানী পৌরসভার মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল মতিন ও মাসুদ পারভেজের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। খুলনায় দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
কুষ্টিয়ার সদর, মিরপুর, ভেড়ামারা ও খোকসা পৌরসভায় ৫ মেয়র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
অন্যদিকে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জমা না দেয়ায় চাঁদপুরে বিএনপির মেয়র প্রার্থী সারোয়ারুল আবেদিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
কুড়িগ্রাম পৌরসভায় কমিশনার পদে একজন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩ জনের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে।
বাছাইয়ে যারা বাতিল হবে তারা পরবর্তীতে আপিল করতে পারবে। যাচাই-বাছাইয়ে অনিয়ম হলে আপিল কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মনোয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৩ ডিসেম্বর। ১৪ ডিসেম্বর প্রতীক পাবেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।
এদিকে, পৌরসভাগুলোতে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সর্বত্র চলছে আলোচনা। যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীদের বেছে নিতে চান ভোটাররা। ভোট দেয়ার পরিবেশ নির্বিঘ্ন করার দাবি তাদের।
প্রার্থীরাও এরইমধ্যে ভোটারদের কাছে গিয়ে উন্নয়নের আশ্বাস দিতে শুরু করেছেন। আর ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থাগ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।