দ্বিতীয় দফার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনেও নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এ দফায় দেশের ৪৭ জেলার ৬৩৯ ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
৯টিতে স্থগিত থাকায় ৬৩০টি ইউনিয়ন পরিষদের বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ৪৫৫ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হন ৩৩ জন।
আর ব্যাপক ভরাডুবির মধ্যে বিএনপির জয় মাত্র ৫৮ ইউনিয়নে।
দ্বিতীয় দফার ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ ১৭টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন আর ভোটাভুটি হয় ৬৩৯টি ইউনিয়নে।
তবে বিভিন্ন অনিয়ম ও সহিংসতার কারণে কুমিল্লার বড়ুরা, চাঁদপুরের হাইমচর, জামালপুরের মেলান্দহের একটিসহ ৯টি ইউপির ভোট স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।
এর মধ্যে ৬৩০টির বেসরকারি ফলাফলে প্রথম দফার মতোই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা একচেটিয়া বিজয়ী হয়েছেন।
আওয়ামী লীগের ৪৫৫ প্রার্থী জন; এর মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিজয়ী হন ৩৩ প্রার্থী।
আওয়ামী লীগের ৬৪ জন বিদ্রোহী প্রার্থীও বিজয়ী হয়েছেন।
অপরদিকে বিএনপির ৫৮ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
বিএনপির বিদ্রোহী ৬ জন প্রার্থী
এছাড়াও অন্যান্য ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ৪৭ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বিজয় উল্লাসে মেতে উঠেন বিজয়ী প্রার্থী আর তাদের সমর্থকরা। সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে দাবি করে আগের প্রতিশ্রুতিতেই অটল থাকেন প্রার্থীরা।
তবে, ভোট গ্রহণের শুরু থেকেই অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে বিএনপি, জাপাসহ নির্বাচনে অংশ নেয়া বেশ কয়েকটি দল।
এর আগে গত ২২ মার্চ অনুষ্ঠিত প্রথম দফার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নিরংকুশ জয় পায়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৭১২টির মধ্যে ৫৪০টি ইউপিতেই চেয়ারম্যান পদে জয় পায়।
অপরদিকে বিএনপি বিজয়ী হয় ৪৭টিতে;যা দ্বিতীয় দফার চেয়ে ১০ জন কম। ওই নির্বাচনে ৭৪.৭৭% ভোট পড়েছিল।
এদিকে, চার সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর থেকে আর জয়ের মুখ দেখেনি বিএনপি।