কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে জাল ভোট ও গোলযোগের চেষ্টার দায়ে ছয়জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে তিন মাসের সাজা দেওয়া হয়। অপর পাঁচজনকে তিন থেকে এক সপ্তাহের সাজা দেওয়া হয়।
কুমিল্লা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কামরুল হাসান এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ছয়জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংরাইশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে পাঁচ বহিরাগতকে সকাল সোয়া ১০টায় আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ, বিজিবি ও র্যাব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভোটারদের লাইন
গতবারের মতো এবারও কুমিল্লা সিটিতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রথমবারের মতো এই সিটির প্রতিটি কেন্দ্রে এসেছে সিসি ক্যামেরার আওতায়।
দেশে প্রথমবারের মত সিসি ক্যামেরা বসিয়ে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কুসিকের ১০৫টি ভোটকেন্দ্র থাকছে ৮৫০টি সিসি ক্যামেরা।
এবার ২ লাখের বেশি ভোটার ১০৫ কেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।
ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতে একজন এসআইয়ের নেতৃতে আছেন পাঁচজন করে পুলিশ সদস্য। এছাড়া আটজন পুরুষ ও চারজন নারী আনসার সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে। পুলিশ ও র্যাবের স্ট্রাইকিং ফোর্স রয়েছে মাঠে।