বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৬তম জন্মবার্ষিকীতে বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তাঁর সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পরে সেখানে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।
টুঙ্গিপাড়ায় বেলা ১১টার দিকে জাতির জনকের কন্যা বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে আয়োজিত শিশু সমাবেশ ও আলোচনা সভায় বক্তব্য দেবেন। পরে একই স্থানে বইমেলার উদ্বোধন ও সেলাই মেশিন বিতরণ করবেন তিনি।
এর আগে সকালে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
পরে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
একে একে শ্রদ্ধা নিবেদন করে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগসহ দলের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন।
এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এদিকে, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে দুই দিনের কর্মসূচি নিয়েছে আওয়ামী লীগ। সকালে বঙ্গবন্ধু ভবন ও সারাদেশে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
পরে দলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।
আগামীকাল শুক্রবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জন প্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এক বিবৃতিতে দিবসটি পালন উপলক্ষে দলের গৃহীত কর্মসূচি দেশবাসীর সঙ্গে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।