বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফরাসউদ্দিন কমিটির তদন্ত রিপোর্ট এখনই জনসম্মুখে প্রকাশ করা উচিত বলে মনে করেন অনেক অর্থনীতিবিদ। এর পাশাপাশি এ ঘটনা নিয়ে উন্মুক্ত শুনানির আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এটি প্রকাশ করা না হলে, এর ভাগ্য শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারিতে, খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের প্রতিবেদনের মত হতে পারে বলে আংশকা তাদের। তবে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ মনে করেন, ফরাসউদ্দিন কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ করা, না করা নিয়ে কিছুই যায় আসেনা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা নিয়ে গত ২০ এপ্রিল অর্থমন্ত্রীর কাছে অন্তর্বর্তীকালীন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় সরকার গঠিত ফরাসউদ্দিন তদন্ত কমিটি। দেশের স্বার্থে তদন্ত প্রতিবেদন সত্যনিষ্ট করা হয়েছে, কমিটির পক্ষ থেকে শুধু এটুকুই জানানো হয়েছে।
যদি সরকার অনুমোদন দেয়, তাহলে কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমসম্মুখে প্রকাশ করতে পারে বলে জানিয়েছিলেন কমিটি প্রধান ড. ফরাসউদ্দিন।
জানা গেছে, ফরেনসিক অংশের তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। তদন্ত পরিপুর্ণভাবে সম্পুর্ণ করতে, আরোও ২ মাস মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। পরিপুর্ণ প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার আগে, বিষয়টি অর্থমন্ত্রী জনসম্মুখে প্রকাশ করতে চাইছেন না।আপস.
তবে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ঘটনার গুরত্ব এবং সচ্ছতার খাতিরে এটি এখনই প্রকাশ করা উচিত।
আর শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারিতে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর মনে করছেন, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফরাসউদ্দিন কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন খুব বেশি গুরত্ব বহন করে না।
কারণ ঘটনার কারিগরি দিক খতিয়ে দেখার সামর্থ এ কমিটির নেই বলে তিনি মনে করেন।
শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি নিয়ে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের প্রতিবেদনে যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছিল, একমাত্র মোসাদ্দেক হোসেন ফালু ছাড়া কারও বিরুদ্ধেই কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ফরাসউদ্দিন কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশিত না হলে, অভিযুক্তরা ধরা-ছোয়ার বাইরে থেকে যাবে বলে তিনি মনে করেন।
এ ব্যাপারে ফিলিপাইনের মতো, বাংলাদেশেও গণশুনানীর দাবিও করেছেন তিনি।