জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচে মিটিংয়ে যোগ দিতে জাপানের নাগোয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজে করে নাগোয়ার শুবু সেন্ট্রাইয়ার বিমানবন্দরে তিনি পৌঁছান।
এ সময় রাবাব ফাতিমা বিমানবন্দরে শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্র বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার মিকি ইয়ামাদা, রাষ্ট্রাচার প্রধান কাওরু শিমাজাকি, আইচি প্রিফ্যাকচারের ডেপুটি গভর্নর হাজিমে নাকানিশি এবং জাপানে বাংলাদেশের হাই কমিশনার।
বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ রেহানা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, এফবিসিসিআই সভাপতি আব্দুল মতলুব আহমাদের নেতৃত্ব ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধি দল এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আক্তারুজ্জামান এ সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন।
এর আগে সকাল সোয়া ১০টায় ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জাপানের উদ্দেশ্যে রওনা হন শেখ হাসিনা।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ আসম ফিরোজ, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী এবং ৩ বাহিনীর প্রধান ও পুলিশের মহাপরিদর্শক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।
২৭ মে সম্মেলন কেন্দ্রের শিনজু হলে আউটরিচের দুইটি অধিবেশনে অংশ নেয়ার পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা।
পরদিন সকালে শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্ট মিরথিপালা শ্রীসেনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করবেন তিনি। এরপর জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনঝো আবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। ওইদিন দুপুরে ট্রেনে করে টোকিও যাবেন তিনি।
বিকেলে বাংলাদেশ দূতাবাসের নবনির্মিত চ্যান্সারি কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সফরের শেষ দিন ২৯ মে সকালে জাপানের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এফবিসিসিআই ও জোটরোর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরে উপস্থিত থাকবেন শেখ হাসিনা।
পরে টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে জাপান প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজনে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন তিনি।