আজ ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী— মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও ওফাত দিবস। ৫৭০ খৃষ্টাব্দের এ দিনে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি আর ৬৩২ খৃষ্টাব্দে একই দিনে ইহলোক ত্যাগ করেন।
বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়সহ শান্তিকামী প্রত্যেক মানুষের কাছে দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশেও যথাযথ মর্যাদা আর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপিত হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিনটি তাৎপর্য তুলে ধরে আলাদা বাণী দিয়েছেন। দিবসটি উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি।
চৌদ্দশ বছর আগে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) –এর আবির্ভাব ও ইসলাম ধর্মের প্রচার আলোড়ন তুলেছিল। আইয়্যামে জাহেলিয়াতের অন্ধকার দূর করে তৌহিদের মহান বাণী নিয়ে আলোর দিশারী হিসেবে এসেছিলেন মহানবী। বারোই রবিউল আউয়াল, এই দিনে মক্কার কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
সেই মহামানবের জন্ম ও ওফাত দিবসই পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী। ৪০ বছরে নবুয়তপ্রাপ্ত হয়ে মানবজাতিকে কুসংস্কার-গোঁড়ামি থেকে মুক্তির পথে আহ্বান করেছিলেন তিনি। প্রচার করেন শান্তির ধর্ম ইসলাম।
৬৩ বছরে দেহত্যাগের আগ পর্যন্ত দীর্ঘ ২৩ বছর এ শান্তির বার্তাই ছড়িয়ে গেছেন সারাবিশ্বে। আর ইসলাম ধর্মমতে, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, নবুয়তের শেষ এই নবী।
এ কারণেই পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী সারা বিশ্বের মুসলিমদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
ইসলামের পথ ও মহানবী -এর আদর্শ অনুসরণেই নিহিত মানবজাতির অফুরন্ত কল্যাণ।
দিনটি উদযাপন উপলক্ষ্যে জাতীয় মসজিদ— বায়তুল মোকাররমে পক্ষকাল ব্যাপী ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
এতে প্রতিদিন মহানবীর জীবন ও কর্মের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করছেন ইসলামী চিন্তাবিদরা।
এছাড়াও মিলাদ মাহফিল, দোয়া-দরুদ, জিকির-আসকার ও নানা আয়োজনে দিনটি পালন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা।