রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত ও চীনের পাশাপাশি এশিয়ার দেশগুলোও বাংলাদেশের পাশে আছে। সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এশীয় কূটনীতিকদের সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক আছে, সেসব দেশের কূটনীতিকদের রোহিঙ্গা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করতে নিয়ে যাওয়া হবে।
পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক বলেন, এ সংকট নিয়ে সব দেশই উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশের ওপর থেকে চাপ কমাতে সবাই সহযোগিতার প্রতিশ্রতি দিয়েছে।
কফি আনান কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, নাগরিকত্বসহ মিয়ানমারের অন্য সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের মতো রোহিঙ্গাদেরও সমান মর্যাদা নিশ্চিত করে এ সংকট নিরসনে সবাই একমত হয়েছে বলেও জানান শহীদুল হক।
সংবাদ সম্মেলনে এ অঞ্চলের ১৭টি দেশের হাইকমিশনার, রাষ্ট্রদূত আর কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তবে মিয়ানমার দূতাবাসের কাউকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতন-নিপীড়নকে ভারত ও চীন ‘গণহত্যা’ মনে করে কি-না, এ বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো বক্তব্য তারা দেয়নি।
এর আগে গতকাল রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্রিফিংএ যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ আর মুসলিম দেশগুলোর কূটনীতিকরা রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যা ও নিয়ৃআতনকে গণহত্যা হিসেবে উল্লেখ করেন। কিন্তু এঅঞ্চলের সবচেয়ে প্রভাবশালী ভারত ও চীন কি মনে করে। সেবিষয়ে স্পষ্ট কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।
রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে এশীয় দেশগুলোর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলেও পররাষ্ট্র সচিব জানান।