কোটা নিয়ে যখন এতোকিছু তাই কোটাই থাকবে না— কোনো কোটারই দরকার নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, কোটা থাকলেই সংস্কারের প্রশ্ন আসবে— এখন সংস্কার করলে আগামীতে আরেক দল আবারো সংস্কারের কথা বলবে তাই কোটা থাকলেই ঝামেলা। সুতরাং কোনো কোটারই দরকার নেই।
তিনি বলেন, বিসিএস পরীক্ষায় কোটার দরকার নেই- মেধা অনুযায়ী নিয়োগ হবে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনগ্রসর কেউ যেন বঞ্চিত না হয় সেজন্য সংবিধানেই কোটা পদ্ধতির কথা বলা আছে। তারপরও আন্দোলন, গুজব ছড়িয়ে সারাদেশে ওই আন্দোলনকে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এ আন্দোলনের এক পর্যায়ে যখন সমঝোতা হলো, সময় বেধে দেয়া হলো মন্ত্রিপরিষদ সচিব কাজ শুরু করলেন তারপরও আন্দোলনে নেমে কেন মানুষের ভোগান্তির সৃষ্টি করা হলো।
তিনি আরো বলেন, গড়ে শতকরা ৭০ ভাগের বেশি মেধাবীরা চাকরি পেয়েছে। তারপরও আন্দোলন হওয়ায় তিনি বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিলের পক্ষে মত দেন।
আন্দোলনের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে হামলাকে পরিকল্পিত বলেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা এসব করেছে তারা ছাত্র হওয়ার অযোগ্য। এর বিচার হবে।
এর আগে জাতীয় সংসদ বিকেল ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।