সরকার যাদের জোরে ক্ষমতায় টিকে আছে তাদের খুশি করতেই সীমান্ত ও তিস্তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে তেমনভাবে জোরালো হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে তিস্তার পানি বণ্টন বিষয়ক আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির এ নেতা বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয় বরং জনগণের কল্যাণেই তিস্তা অভিমূখে লংমার্চ কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি।
একইসঙ্গে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন ও তিস্তাসহ অন্যান্য ইস্যুতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলেছেন মির্জা ফখরুল।
এদিকে, লংমার্চের জন্য জনসম্পৃক্ততা ও জনসচেতনতা বাড়াতে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে লিফলেট বিতরণে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের দাবিতে তিস্তা অভিমুখে লংমার্চে বাধা দেয়া হলে এ সরকার যে অবৈধ, জনবিচ্ছিন্ন ও অন্যের আশীর্বাদপুষ্ট সেটাই প্রমাণিত হবে।
ভারত বাংলাদেশকে তার প্রাপ্য পানি দিচ্ছে না এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে তারা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলেও জানান তিনি।
রিজভী বলেন, ‘অভিন্ন নদীর পানিগুলো জোর করে ও অন্যায়ভাবে ভারত আটকে রাখছে। পানি অন্যদিকে প্রবাহিত করছে, এ অন্যায়কে মোকাবেলা করার জন্য আমাদের এ আন্দোলন। সরকার এখন এমনিতেও অবৈধ সরকার হিসেবে আছে, এরপর তারা গণবিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন কারণ এটা তো দেশের স্বার্থের ব্যাপার, এটা তো বিএনপির কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থের ব্যাপার না জাতীয় স্বার্থের ব্যাপার। তখনই বোঝা যাবে সরকার যদি বাধা দেয়, তাহলে এ সরকার আসলে জনগণের সরকার না কারোও আর্শীবাদের সরকার এটি আরো প্রমাণিতত হবে।’
এর আগে দলীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অন্যান্য নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ওই এলাকার দোকান ও যানবাহনে লিফলেট বিতরণ করা হয়।