নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন প্যানেল মেয়রসহ ৫ জনকে অপহরণ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে জনসম্মুখে আনতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। আর বিচার বহির্ভূত গুম, অপহরণের বিষয়ে সরকারকে দূর্বলতা দেখালে চলবে না বলেও জানান তিনি।
সোমবার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সিটিটিউশন মিলনায়তনে নৌকা সমর্থক গোষ্ঠী আয়োজিত আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা আব্দুস সামাদ আজাদের স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সুরঞ্জিত বলেন, ‘মানুষ আইনের কাছে গেছে বিচারের আশায় আর সেখান থেকে যদি লোক অপহরণ করা হয়, তাদের গুম করা হয় তাহলে আইনের শাসন বৃথা হয়ে যায়। সুতরাং কোনো অবস্থায় এ ব্যাপারে নমনীয় হওয়া যাবে না এবং সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এ দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে হবে। তাই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যদি বলে আমরা জানি নি, দেখি নিই, বুঝি নাই বললে চলবে না।’
এদিকে, জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু একাডেমির এক আলোচনায় আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি নেতাদের হাতাশায় না থেকে জামাতকে জোট থেকে বের করে দিয়ে দলকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাড় করুন।
তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের মুখে যে হতাশার সুর, সরকারের ১০০দিন পেরুনের মাথায় আমরা দেখতে পারছি। আমরা আপনাদের মুখে হতাশার সুর দেখতে চাই না, আমরা চাই বিএনপি শক্তিশালী থাকুক। আর আমরা চাই না মুসলিম লীগকে যেমন হারিকেন দিয়ে খুঁজলেও খুঁজে পাওয়া যায় না, আপনারাও হারিয়ে যান। সেটা আমরা চাই না।’
এ সময় সরকারে আমলাতান্ত্রিক অনুপ্রবেশ বন্ধ করে আওয়ামী লীগকে আরো সংগঠিত করতে দলের নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের এ নেতা।