নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় সরকারের যে সব মন্ত্রী-এমপিরা জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে তাদের তদন্তের আওতায় আনা উচিৎ বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার ছাত্রদলের সদ্য কারামুক্ত নেতাদের নিয়ে জিয়ার মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
ফখরুল বলেন, সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের সঙ্গে জড়িত, এটা এখন পরিষ্কার। তাদের একজনের জামাইকে চাকরি থেকে অপসারণ করায় এটা প্রমাণ করে।
সরকার এ ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
গত ২৭ এপ্রিল (রোববার) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, প্যানেল মেয়র-২ ও আওয়ামী লীগ সমর্থক নজরুল ইসলাম ওরফে গোঁয়ার নজরুল ও তার চার সহযোগীকে তাদের বহনকারী প্রাইভেটকারসহ র্যা ব পরিচয়ে অপহরণ করা হয়। একই সময়ে নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহিমও নিখোঁজ হন।
পরে র্যা ব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মাহমুদ ও সেনাবাহিনীর মেজর আরিফ হোসেন এবং নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এমএম রানাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।
নারায়ণগঞ্জে অপহরণের চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার দুদিন পর নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার, দুটি থানার ওসির পাশাপাশি র্যা বের ওই তিন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়।
সর্বশেষ বৃহস্পতিবার পুলিশের ৮১ কর্মকর্তাকে একযোগে নারায়ণগঞ্জ থেকে বদলি করা হয়। এদের মধ্যে দুইজন পরিদর্শক, ৪০ জন উপপরিদর্শক (এসআই) এবং ৩৯ জন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রয়েছেন।