ষড়যন্ত্রমূলকভাবে র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে গিয়ে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি খুণ্ণ করা হচ্ছে—এ দাবি করে এ প্রতিষ্ঠান থেকে সেনা সদস্যদের প্রত্যাহার করে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা।
এ সময় নেতারা অভিযোগ করেন, সরকার জোর করে নিজেদেরকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে গিয়ে সারাদেশকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে। ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে সাধারণ মানুষের কাতারে নামিয়ে আনা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি নেতারা।
নারায়ণগঞ্জের ৭ খুনের ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে এসেছে এলিট বাহিনী র্যা বের বিরুদ্ধে। সাম্প্রতিক সময়ে গুম, অপহরণ এবং অর্থ আত্ন-সাতের মতো গুরুতর অভিযোগও পাওয়া গেছে। এ প্রেক্ষাপটে বিএনপি পক্ষ থেকে র্যা বের বিলুপ্তি দাবি এবং আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এ বাহিনীর সংস্কারের কথা বলেছেন দুই দলের নেতারা।
তবে মঙ্গলবার এক প্রতিবাদ সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা অভিযোগ তুললেন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি খুণ্ণ করার চেষ্টা চলছে। সেই সঙ্গে র্যা ব থেকে সেনা সদস্যদের সরিয়ে নেয়ার আহ্বানও জানান বিএনপির এ নেতা।
খোকা বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও সেনা বাহিনীর সদস্যদের বলবো এ জাতি আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে। দেশে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করে দেয়ার জন্য তবে এখনো সময় আছে, সেনাবাহিনীর উচিৎ হবে র্যা ব থেকে তাদের সকল সদস্যদের প্রত্যাহার করে নেয়া।’
দলের চেয়ারপারসনের নামে মামলা দেয়া ও আদালত পরিবর্তনের প্রতিবাদে লালবাগ বালুর মাঠে প্রতিবাদ সভা করার অনুমতি না পেয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে সভা করে ঢাকা মহানগর বিএনপি।
এ সময় র্যা বকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে গিয়ে সারাদেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে সরকার—সভায় দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল এ অভিযোগ করে বলেন, ‘অনৈতিক, অবৈধ ও সঘোষিত সরকার গণতন্ত্রের মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছে।’ বিএনপি চেয়ারপারসনকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল বলেন,
ফখরুল বলেন, ‘যিনি ৩ বার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, যিনি ১৯৯১ সালের পরে কখনোই লাল পাসপোর্ট ছাড়া ছিলেন না অর্থ্যাৎ হয় তিনি (খালেদা জিয়া) প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বা বিরোধীদলের নেতা ছিলেন। সেই ব্যক্তিকে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে একজন সাধারণ মানুষের মতো পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হয়েছে।’